আপলোড তারিখ : 2022-11-15
বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটিতে
 বিশ্বের জনসংখ্যা ৮০০ কোটিতে -ফাইল ফটো-তাজাখবর২৪.কম,আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্বের জনসংখ্যা আটশ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করলো মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর)। জাতিসংঘের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৩ সাল নাগাদ ভারত জনসংখ্যার দিক থেকে চীনকে ছাড়িয়ে যাবে এবং বিশ্বের সর্বাধিক জনসংখ্যার দেশ হবে এটি।
জাতিসংঘ বলছে, ৭০০ কোটির মাইলফলক স্পর্শ করার মাত্র ১১ বছর পর বিশ্বের জনসংখ্যা আটশ কোটিতে পৌঁছালো। এরপর ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ৮৫০ কোটি এবং ২০৫০ সালে পৌঁছাবে ৯৭০ কোটিতে। তাছাড়া ২০৮০ সালে এই জনসংখ্যা এক হাজার কোটির মাইলফলক অতিক্রম করবে। তবে আগামীতে ৯০০ কোটিতে পৌঁছতে ১৫ বছর সময় লাগতে পারে বলছে, সংস্থাটি।
বিশ্বের মানুষের সংখ্যা নির্ভুলভাবে গণনা করা কঠিন কাজ। তবে জাতিসংঘ বলছে, ১৫ নভেম্বর, জনসংখ্যা আটশ কোটিতে পৌঁছার তথ্যটি একটি সেরা অনুমান।

জনসংখ্যা বৃদ্ধি মূলত মৃত্যুহার হ্রাসের কারণে হয়। অন্যদিকে, জন্মহার বৃদ্ধির কারণেও জনসংখ্যা বাড়ে। এছাড়া গড় আয়ু বৃদ্ধিও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখে এত। বিশ্বব্যাপী, ২০১৯ সালে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ দশমিক ৮ শতাংশ। মৃত্যুহার আরও হ্রাসের ফলে বিশ্বব্যাপী গড় আয়ু প্রায় ৭৭ দশমিক ২ শতাংশ হবে ২০৫০ সালে।

জনসংখ্যার পরিমাপক হিসেবে মানুষের গড় আয়ু, জন্মহার ও মৃত্যুহার নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করলেও এবার অভিবাসনও জনসংখ্যা পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারক হয়ে উঠেছে।

২০২২ সালের পরিসংখ্যানে সর্বাধিক জনবহুল দেশের দুটিই এশিয়ায়। যেখানে বিশ্বের জনসংখ্যার ২৯ শতাংশ বসবাস করে। শুধু চীন ও ভারতেই বাস করে একশ কোটি ৪০ লাখ করে বেশি মানুষ। তবে জনসংখ্যার দিক থেকে চীনকে ২০২৩ সালে ছাড়িয়ে যাবে ভারত। আগামী কয়েক দশকে চীনে জনসংখ্যা আরও হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে এক শিশু নীতি চালু ছিল।

২০২০ সালে জাতিসংঘ জানায়, ১৯৫০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। ১৯৫০ সালে যেখানে একজন নারীর সন্তান জন্মদানের হার ছিল গড়ে ৫ সেখানে বর্তমানে তা নেমে ২ দশমিক ৩ শতাংশে। ২০৫০ সালে সন্তান জন্মদানের হার নেমে আসবে ২ দশমিক ১ শতাংশে।

তবে জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগের কোনও কারণ নেই উল্লেখ করে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের প্রধান নাটালিয়া কানেম বলেন, ৮০০ কোটি মানুষ মানবসভ্যতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। প্রত্যাশিত গড় আয়ু বৃদ্ধি এবং মা ও শিশুমৃত্যু কমে আসার প্রশংসাও করেন তিনি।

জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের বৈচিত্র্যময়তাকে উদযাপন করতে হবে এবং মানবীয় বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতে অগ্রগতির কারণে বিস্মিত হওয়ার একটি উপলক্ষ তৈরি হয়েছে কারণ আয়ু বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নাটকীয়ভাবে মা ও শিশু মৃত্যুহার কমেছে। তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে আমাদের পৃথিবীর সুরক্ষায় একে অপরের প্রতি দায়িত্ব পালনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। সূত্র: বিবিসি ও ইউএসএ টুডে

তাজাখবর২৪.কম: ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর ২০২২ ৩০ কার্তিক ১৪২৯,১৯ রবিউসসানি ১৪৪৪






এই বিভাগের আরো সংবাদ

advertisement

 
                              
                             প্রধান উপদেষ্টা: ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট
                                             সম্পাদক: কায়সার হাসান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: আর কে ফারুকী নজরুল, সহকারি সম্পাদক: জহির হাসান,নগর সম্পাদক: তাজুল ইসলাম।
ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: মডার্ণ ম্যানশন (১৫ তলা) ৫৩ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০।
এই ঠিকানা থেকে সম্পাদক কায়সার হাসান কর্তৃক প্রকাশিত।
কপিরাইটর্স ২০১৩: taazakhobor24.com এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত।
ফোন: ০৮৮-০২-৫৭১৬০৭২০, মোবাইল: ০১৮১৮১২০৯০৮, ০১৯১০৭৭৪৫৫৯
ইমু: ০১৯১০৭৭৪৫৫৯ ই-মেইল: [email protected] , [email protected]
facebook: taaza khobor, You tube:Taaza khobor Tv

মঙ্গলবার, ২৪ জানুয়ারি, 2০২3